অনলাইন ডেস্ক :
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে ডিজেলের মজুত রয়েছে প্রায় ১.৮৫ লাখ টন, যা দিয়ে সর্বোচ্চ ১৪ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। অন্যদিকে অকটেনের মজুত মাত্র ১১ হাজার টন—চলবে প্রায় ৯ দিন। পেট্রোল রয়েছে ১৬ হাজার ৬০৫ টন, যা দিয়ে ১১ দিন পর্যন্ত চাহিদা মেটানো যাবে।
তবে কাগজে-কলমের হিসাবের চেয়েও বাস্তব পরিস্থিতি অনেক বেশি চাপের। বাড়তি চাহিদা ও আতঙ্কে আগাম তেল মজুতের প্রবণতা দেখা দেওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহব্যবস্থায় তৈরি হয়েছে অস্বাভাবিক চাপ। ফলে কোথাও কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি মিলছে না—যা জনমনে বাড়িয়ে তুলছে উদ্বেগ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির পেছনে একাধিক কারণ একযোগে কাজ করছে। জ্বালানিবাহী জাহাজ আসতে দেরি, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং আতঙ্কে হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়া—এই তিনটি বড় চাপ এখন সরবরাহ ব্যবস্থাকে নাজুক করে তুলেছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি-তে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তৈরি হয়েছে বড় ধরনের শঙ্কা। এই নৌপথে কোনো ধরনের দীর্ঘমেয়াদি বাধা সৃষ্টি হলে বাংলাদেশসহ আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জ্বালানি সরবরাহ সরাসরি হুমকির মুখে পড়বে।
সব মিলিয়ে, বর্তমান পরিস্থিতি এক ধরনের সতর্ক সংকেত দিচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সামনে আরও বড় জ্বালানি সংকটে পড়তে পারে দেশ—এমন আশঙ্কাই প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
<p>Editor: Hasanuzzaman<br>Address: Belvedere Rd, near ALIPORE ZOO, Alipore, Kolkata, West Bengal 700027</p>
Copyright © 2026