নিজস্ব প্রতিনিধি :
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হাম (Measles) সংক্রমণ বৃদ্ধি এবং শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। বিভিন্ন হাসপাতালে হামের রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের দাবি, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI)-এর আওতায় টিকা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ইউনুস সরকারের সময় পরিচালিত টিকা কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় সমন্বয়ের অভাবে ২০২৫ সালে টিকার ঘাটতি দেখা দেয়।
বর্তমান ও সাবেক নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্তের প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছে বিভিন্ন মহলে।
সমালোচকরা বলছেন, স্বাস্থ্যখাতে ধারাবাহিকতা বজায় না থাকায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিশুরা ঝুঁকিতে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হামের মতো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইপিআই কর্মসূচির আওতায় শিশুর ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে এমএমআর টিকার দুই ডোজ নিশ্চিত করা না গেলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
এ পরিস্থিতিতে দ্রুত টিকা সরবরাহ স্বাভাবিক করা, স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।