সর্বশেষ আপডেট :
৭.৬২ মিমি বুলেটের অভিযোগ: ‘ম্যাসিভ তদন্ত’ চেয়েও পাননি—সাখাওয়াত হোসেন এবার গণভোটে “হা” ভোট কমলো ১০ লাখ কলাপাড়ায় আওয়ামীলীগ অফিস খোলা নিয়ে শেখ হাসিনার কাছে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগের মিথ্যাচার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় দেশে ফিরতে হবে সবাইকে, কর্মীদের মাঠে নামার প্রস্তুতির নির্দেশ শেখ হাসিনার ড.মুহাম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার ঘোষণা যথাযোগ্য মর্যাদায় কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে মাতৃভাষা দিবস উদযাপন  তিন দেশে ১৪ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে কুয়াকাটায় বিএনপির বহিস্কৃত নেতার নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দিলো জনতা  জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে নির্বাচনে ইসলামি আন্দোলন থেকে প্রার্থী হওয়ায় সাইন্সল্যাব মসজিদের খতীব কে অব্যাহতির অভিযোগ শেখ হাসিনা শান্তি ও অগ্রগতির এক দৃঢ় প্রতীক
৭.৬২ মিমি বুলেটের অভিযোগ: ‘ম্যাসিভ তদন্ত’ চেয়েও পাননি—সাখাওয়াত হোসেন

৭.৬২ মিমি বুলেটের অভিযোগ: ‘ম্যাসিভ তদন্ত’ চেয়েও পাননি—সাখাওয়াত হোসেন

অনলাইন ডেস্ক :

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ঘিরে পুরোনো প্রশ্ন আবার সামনে এনেছেন বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। এক অনলাইন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে অনেকেই ভারতবিরোধী বলতেন। সেই প্রেক্ষাপটে তার প্রশ্ন, যদি আন্দোলনের সময় কথিত স্নাইপাররা ভারতীয় হয়ে থাকে, তাহলে সরকার সঙ্গে সঙ্গে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায়নি কেন?

তার বক্তব্য, “যদি বিদেশি সম্পৃক্ততার প্রমাণ থাকত, তাহলে সরকারের অবস্থান ভিন্ন হতো।” তিনি মনে করেন, বিষয়টি স্পষ্ট করতে পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি।

৭.৬২ মিমি বুলেটের প্রসঙ্গ

সাক্ষাৎকারে তিনি আবারও ৭.৬২ মিমি বুলেটের বিষয়টি তোলেন। তার দাবি, জুলাই আন্দোলনের সময় নিহত কয়েকজনের শরীরে এই ক্যালিবারের বুলেটের চিহ্ন পাওয়া যায়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালে তিনি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ নিয়ে “বৃহৎ পরিসরের তদন্তের” প্রস্তাব করেছিলেন, কিন্তু তা এগোয়নি।

তিনি বলেন, গুলশানে আহত আনসার সদস্যদের শরীরেও একই ধরনের বুলেটের ট্রেস পাওয়া গিয়েছিল। এ ধরনের অস্ত্র সাধারণত নিয়ন্ত্রিত বা সামরিক ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত—এমন ইঙ্গিত দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সিভিলিয়ানদের হাতে এ অস্ত্র কীভাবে এলো।

তদন্ত হয়নি কেন?

সাখাওয়াত হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি একাধিকবার তদন্তের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরলেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। পরবর্তীতে তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে অন্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকে ৭.৬২ বুলেটের অভিযোগ নিয়ে বড় কোনো তদন্ত প্রকাশ্যে আসেনি।

তবে তার এসব বক্তব্যের বিষয়ে বর্তমান সরকার বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অমীমাংসিত প্রশ্ন

জুলাই আন্দোলনে স্নাইপার বা প্রশিক্ষিত শুটারদের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা নিয়ে আগে থেকেই নানা আলোচনা ছিল। সাখাওয়াত হোসেনের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই বিতর্ককে আবার সামনে এনেছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এমন ঘটনায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ—একদিকে দায় নির্ধারণের জন্য, অন্যদিকে ভবিষ্যতে একই ধরনের সহিংসতা ঠেকাতে। এখন প্রশ্ন, এই অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে সরকার নতুন করে কোনো পদক্ষেপ নেয় কি না।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved
কারিগরি সহায়তা: Amader Kotha