সর্বশেষ আপডেট :
দেশে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের মজুত এখন গড়ে মাত্র ১০ দিনের—যা সম্ভাব্য বড় সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে “খুব দ্রুতই গণবিস্ফোরণ ঘটাবে আওয়ামী লীগ”— নানক যুক্তরাষ্ট্রের ‘মহাপ্রহর’: বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য বন্ধ ভিসার দরজা! চমকে দেওয়া ঘোষণা, স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কায় হাজারো পরিবার তৃণমূলকে বিপদে রেখে জাঁকজমকপূর্ণ ঈদ উদযাপন: কেন্দ্রীয়  যুবলীগ নেতা সোহাগকে ঘিরে বিতর্ক তৃণমূলকে বিপদে রেখে জাঁকজমকপূর্ণ ঈদ উদযাপন: কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সোহাগকে ঘিরে বিতর্ক পটুয়াখালী -৪ আসনের সর্বস্তরের জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মহিববুর রহমান ছেলেকে মৃত দেখিয়ে মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি ইসলামী ব্যাংকে ‘আমীর কোটায়’ ২০ হাজার নিয়োগ, মেধা বিসর্জনের মহোৎসব কলাপাড়া উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ১০৬ তম জন্মবার্ষিকী পালন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন আজ
দেশে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের মজুত এখন গড়ে মাত্র ১০ দিনের—যা সম্ভাব্য বড় সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে

দেশে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের মজুত এখন গড়ে মাত্র ১০ দিনের—যা সম্ভাব্য বড় সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে ডিজেলের মজুত রয়েছে প্রায় ১.৮৫ লাখ টন, যা দিয়ে সর্বোচ্চ ১৪ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। অন্যদিকে অকটেনের মজুত মাত্র ১১ হাজার টন—চলবে প্রায় ৯ দিন। পেট্রোল রয়েছে ১৬ হাজার ৬০৫ টন, যা দিয়ে ১১ দিন পর্যন্ত চাহিদা মেটানো যাবে।

তবে কাগজে-কলমের হিসাবের চেয়েও বাস্তব পরিস্থিতি অনেক বেশি চাপের। বাড়তি চাহিদা ও আতঙ্কে আগাম তেল মজুতের প্রবণতা দেখা দেওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহব্যবস্থায় তৈরি হয়েছে অস্বাভাবিক চাপ। ফলে কোথাও কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি মিলছে না—যা জনমনে বাড়িয়ে তুলছে উদ্বেগ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির পেছনে একাধিক কারণ একযোগে কাজ করছে। জ্বালানিবাহী জাহাজ আসতে দেরি, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং আতঙ্কে হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়া—এই তিনটি বড় চাপ এখন সরবরাহ ব্যবস্থাকে নাজুক করে তুলেছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি-তে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তৈরি হয়েছে বড় ধরনের শঙ্কা। এই নৌপথে কোনো ধরনের দীর্ঘমেয়াদি বাধা সৃষ্টি হলে বাংলাদেশসহ আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জ্বালানি সরবরাহ সরাসরি হুমকির মুখে পড়বে।

সব মিলিয়ে, বর্তমান পরিস্থিতি এক ধরনের সতর্ক সংকেত দিচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সামনে আরও বড় জ্বালানি সংকটে পড়তে পারে দেশ—এমন আশঙ্কাই প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved
কারিগরি সহায়তা: Amader Kotha