সর্বশেষ আপডেট :
নৌকা নেই, ভোট নেই’: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আরাফাতের রাঙ্গাবালীতে উপজেলা বিএনপির সভাপতির বক্তব্যের প্রতিবাদে উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তি ‘প্যারোলে’ মুক্তি মেলেনি, কারা ফটকে প্রথমবার মৃত ছেলেকে কোলে নিয়ে স্ত্রীর মরদেহ ছুঁয়ে কাঁদলেন সাদ্দাম ‘বাংলাদেশ এখন ইতিহাসের ভয়াবহতম সংকটে, ইউনূস সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি’ বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে শেখ হাসিনার ৫ দফা ‘টপ গান’ লুকে ম্যাক্রো, সানগ্লাস কম্পানির সেয়ার মূল্য বেড়ে ৪ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা ভারতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না গেলে বিসিবির আর্থিক লস ৩৩০ কোটি টাকা পটুয়াখালীতে মান্তা সম্প্রদায়ের মাঝে এমপি মহিবের কম্বল বিতরন  জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক
“ক্ষমতার চেয়ে মানবিকতা ও ন্যায়বোধকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন শেখ হাসিনা” — সজীব ওয়াজেদ জয়

“ক্ষমতার চেয়ে মানবিকতা ও ন্যায়বোধকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন শেখ হাসিনা” — সজীব ওয়াজেদ জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ক্ষমতায় থাকার চেয়ে মানবিকতা, ন্যায়বিচার এবং জনগণের নিরাপত্তাকে রাজনৈতিক জীবনের প্রধান মূল্যবোধ হিসেবে বিবেচনা করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—এমনটাই জানিয়েছেন তার ছেলে ও সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, শেখ হাসিনা চাইলে কঠোর বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারতেন। তবে তিনি সেই পথকে নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করেননি। জয়ের ভাষায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দমননীতির মাধ্যমে সরকার টিকে থাকলেও ন্যায়বিচার ও কঠোরতা কখনো এক জিনিস নয়। রক্তপাত এড়িয়ে দায়িত্ব থেকে সরে আসাকেই শেখ হাসিনা শ্রেয় মনে করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আন্দোলনকালীন পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জয় স্বীকার করেন যে, তৎকালীন সরকার ও আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছিল। তার মতে, এই ‘মিসহ্যান্ডেলিং’-এর দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। তবে তিনি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেন যে, আন্দোলন দমনে হত্যার কোনো নির্দেশ শেখ হাসিনা দিয়েছিলেন। জয়ের দাবি, এসব কর্মকাণ্ড তার মায়ের নির্দেশে ঘটেনি।
ন্যায়বিচার প্রসঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বিচার কোনো প্রতীকী বিষয় নয় এবং এটি কারও জন্য বিশেষ সুবিধা হিসেবে প্রযোজ্য হতে পারে না। ন্যায়বিচার হতে হবে সর্বজনীন ও নিরপেক্ষ। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনাই প্রকৃত বিচার—এমনটাই তিনি মনে করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সাক্ষাৎকারে জয় একদিকে শেখ হাসিনার নৈতিক অবস্থান তুলে ধরেছেন, অন্যদিকে বিচার ও জবাবদিহিতার বিষয়ে একটি সার্বজনীন মানদণ্ডের কথা বলেছেন। ক্ষমতা ও ন্যায়বোধের দ্বন্দ্বে তিনি স্পষ্টভাবে ন্যায়বিচারের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই বক্তব্য ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে একটি নৈতিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এবং দলীয় কর্মীদের জন্য আদর্শিক ভিত্তি জোরদার করবে।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved
কারিগরি সহায়তা: Amader Kotha