ডেস্ক রিপোর্ট :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের ডিজিটাল অবহেলার নগ্ন উদাহরণ সামনে এসেছে। প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিকের জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর ও ই-মেইলসহ অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত হয়ে যায়।
এটি কোনো ছোটখাটো টেকনিক্যাল গ্লিচ নয়। এক রাষ্ট্রীয় সংস্থা, যা দেশবাসীর ভোটার ও সাংবাদিকদের তথ্য রক্ষার দায়িত্বে, সে কীভাবে এমন অদ্ভুত অব্যবস্থাপনা করতে পারে?
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দোষ চাপাচ্ছেন “অ্যাডমিন ভুল করেছে” বলে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—এটা প্রতিষ্ঠান, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্তগ্রহণকারীদের দায়িত্বহীনতার সরাসরি প্রমাণ। সাংবাদিকরা বারবার অনলাইন সিস্টেমের বিপদ নিয়ে সতর্ক করলেও, কমিশন তা উপেক্ষা করে ব্যবস্থা চালু করে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—এই ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য এখন কোথায়? কপি হয়েছে কি, ডাউনলোড হয়েছে কি, তৃতীয় পক্ষের হাতে গেছে কি না—এর কোনো জবাব নেই।
প্রযুক্তির ব্যর্থতা নয়, এটা দায়িত্ববোধের ব্যর্থতা।
নির্বাচন কমিশন চাইলে অন্তত করতে পারত—
১. স্বাধীন ডিজিটাল ফরেনসিক অডিট।
২. কত ডাটা ফাঁস হয়েছে তার স্বচ্ছ প্রতিবেদন প্রকাশ।
৩. দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান শাস্তি।
নইলে এ ঘটনা হয়ে থাকবে আরেকটি “দুঃখ প্রকাশ” আর “খোঁজ নিচ্ছি” ফাইল।
উল্লেখ্য আজ সাংবাদিকদের, কাল ভোটার ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের তথ্য ফাঁস হলে দায় নেবে কে?
কপি : আজকের কন্ঠ